মৌলভীবাজার ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
Logo ৫৫ বছর পর মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়, বিশাল ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয় Logo শ্রীমঙ্গলে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন; ভোটদানের হার ৫০-৫৫ শতাংশ হবার সম্ভাবনা Logo মৌলভীবাজার-৪ এ ত্রিমুখী লড়াই: ঐতিহ্য বনাম নতুন সমীকরণ; কেন্দ্রভিত্তিক উপস্থিতিই নির্ধারণ করবে ফল Logo ছুটি চাইছিলাম পেলাম না, ছেলেটা মারা গেলো, ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশ Logo চার পদ্ধতিতে জানা যাবে ভোটকেন্দ্রের তথ্য Logo পবিত্র শবে বরাত আজ Logo তারেক রহমান দেশ ছেড়ে পালাননি, ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে: এম নাসের রহমান Logo কুলাউড়ায় ধানের শীষের প্রার্থী শওকতুল ইসলামের নির্বাচনী কার্যক্রমে সমন্বয় সভা Logo ধানের শীষে ভোট দিলে উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে: নাসের রহমান Logo জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ই-রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্তআসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে করদাতাদের সুবিধার্থে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আরও এক মাস বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এর ফলে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন (ই-রিটার্ন) দাখিল করা যাবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আয়কর আইন অনুযায়ী প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় নির্ধারিত থাকে। তবে চলতি অর্থবছরে ই-রিটার্নে প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় এর আগে দুই দফায় এক মাস করে সময় বাড়ানো হয়। এবার তৃতীয় দফায় সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। এনবিআর সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, গণভোট ও নির্বাচনী প্রচারণার কারণে অনেক করদাতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি। এ প্রেক্ষাপটে করদাতাদের স্বস্তি দিতে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরও তিন দফা সময় বাড়িয়ে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। এনবিআরের হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২৩ লাখ। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৮ জন। অর্থাৎ প্রায় ৯০ লাখ করদাতা এখনো রিটার্ন দাখিল করেননি। গত বছর মোট রিটার্ন জমা পড়েছিল ৪৫ লাখ। সময় বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহমান খান বলেন, “রিটার্ন দাখিলের শেষ দিকে যদি দেখা যায় যে, যতজন করদাতা নিবন্ধিত হয়েছেন, তাদের উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো রিটার্ন জমা দেননি, তাহলে আমরা সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করব। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”

৫৫ বছর পর মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়, বিশাল ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয়

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) সংসদীয় আসন দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার পর থেকে আসনটি ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকায় এখানে বিএনপির প্রার্থীদের জন্য জয় পাওয়া ছিল প্রায় অসম্ভব। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই চিত্র পাল্টে গেছে নাটকীয়ভাবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর প্রথমবারের মতো বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে ইতিহাস গড়েছেন। স্থানীয়রা এ বিজয়কে ‘ভূমিধস’ ও ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিচ্ছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) পোস্টাল ভোটসহ মোট ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর প্রার্থী মাওলানা নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট। ফলে ১ লাখ ২০ হাজার ৬৭৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করেন হাজী মুজিব।
এই ব্যবধানটি সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে বিএনপির প্রার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ বলে জানা গেছে।
ভোটব্যাংকের সমীকরণে পরিবর্তন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ আসনে দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘু ও চা শ্রমিকদের ভোট আওয়ামী লীগের পক্ষে নির্ধারক ভূমিকা রাখত। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই প্রচলিত ভোটব্যাংকে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। বিএনপি প্রার্থী ও তার দলীয় নেতাকর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় প্রচারণা চালিয়ে ভোটারদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হন।
গত ২৬ বছর ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় হাজী মুজিব চা বাগানের শ্রমিক, ২৬টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সংখ্যালঘু হিন্দু ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পাশাপাশি গ্রামীণ মুসলিম ভোটারদের মধ্যেও তিনি উল্লেখযোগ্য সমর্থন পান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের ফল
২০০১ সাল থেকে তিনি এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু করেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের সাতবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ। এরপর থেকে রাজনৈতিক মামলা, হামলা ও বিভিন্ন চাপের মুখে পড়তে হয় হাজী মুজিবকে।
২০০৯ সালের পর শতাধিক মামলায় প্রায় চার বছর কারাভোগ করেন তিনি। এ সময় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে নানামুখী সংকটের মুখোমুখি হন। তার ভাই শামীম আহমেদের মৃত্যু, ব্যবসায়িক ক্ষতি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক চাপে পড়ার ঘটনাও আলোচিত হয় এলাকায়।
২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও স্বল্প সময়ের সুষ্ঠু ভোটে তিনি প্রায় এক লাখ ভোট পান বলে তার সমর্থকদের দাবি। দীর্ঘদিনের এ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা তাকে স্থানীয়ভাবে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।

ভোটের চিত্র ও পরিসংখ্যান
মৌলভীবাজার-৪ আসনে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ—এই দুই উপজেলায় মোট ১৮টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা রয়েছে। এবারের নির্বাচনে ২ হাজার ৫০০ পোস্টাল ভোটারসহ মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৮ জন।
মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে বিএনপির বিদ্রোহী (বহিষ্কৃত) প্রার্থী ও সাবেক মেয়র মহসিন মিয়া মধু স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করে প্রত্যাশিত ফল পাননি।
দুই উপজেলায় মোট ভোট পড়েছে (বাতিলসহ) ২ লাখ ৭২ হাজার ২৯৪টি। গড় ভোটের হার ছিল প্রায় ৫৫ শতাংশ।

কেন বিজয় পেলেন বিএনপি প্রার্থী?
ভোটারদের একাংশ জানান, প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের শক্তিশালী উপস্থিতি এবং ঘোষিত নাগরিক সুবিধাসংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি—বিশেষ করে কৃষি সহায়তা ও ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রচার—এই বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণ ভেঙে এ ফলাফল মৌলভীবাজার-৪ আসনের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতার সূচনা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

৫৫ বছর পর মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়, বিশাল ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয়

৫৫ বছর পর মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়, বিশাল ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয়

আপডেট সময় ১২:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) সংসদীয় আসন দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার পর থেকে আসনটি ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকায় এখানে বিএনপির প্রার্থীদের জন্য জয় পাওয়া ছিল প্রায় অসম্ভব। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই চিত্র পাল্টে গেছে নাটকীয়ভাবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর প্রথমবারের মতো বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে ইতিহাস গড়েছেন। স্থানীয়রা এ বিজয়কে ‘ভূমিধস’ ও ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিচ্ছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) পোস্টাল ভোটসহ মোট ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর প্রার্থী মাওলানা নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট। ফলে ১ লাখ ২০ হাজার ৬৭৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করেন হাজী মুজিব।
এই ব্যবধানটি সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে বিএনপির প্রার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ বলে জানা গেছে।
ভোটব্যাংকের সমীকরণে পরিবর্তন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ আসনে দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘু ও চা শ্রমিকদের ভোট আওয়ামী লীগের পক্ষে নির্ধারক ভূমিকা রাখত। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই প্রচলিত ভোটব্যাংকে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। বিএনপি প্রার্থী ও তার দলীয় নেতাকর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় প্রচারণা চালিয়ে ভোটারদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হন।
গত ২৬ বছর ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় হাজী মুজিব চা বাগানের শ্রমিক, ২৬টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সংখ্যালঘু হিন্দু ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পাশাপাশি গ্রামীণ মুসলিম ভোটারদের মধ্যেও তিনি উল্লেখযোগ্য সমর্থন পান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের ফল
২০০১ সাল থেকে তিনি এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু করেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের সাতবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ। এরপর থেকে রাজনৈতিক মামলা, হামলা ও বিভিন্ন চাপের মুখে পড়তে হয় হাজী মুজিবকে।
২০০৯ সালের পর শতাধিক মামলায় প্রায় চার বছর কারাভোগ করেন তিনি। এ সময় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে নানামুখী সংকটের মুখোমুখি হন। তার ভাই শামীম আহমেদের মৃত্যু, ব্যবসায়িক ক্ষতি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক চাপে পড়ার ঘটনাও আলোচিত হয় এলাকায়।
২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও স্বল্প সময়ের সুষ্ঠু ভোটে তিনি প্রায় এক লাখ ভোট পান বলে তার সমর্থকদের দাবি। দীর্ঘদিনের এ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা তাকে স্থানীয়ভাবে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।

ভোটের চিত্র ও পরিসংখ্যান
মৌলভীবাজার-৪ আসনে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ—এই দুই উপজেলায় মোট ১৮টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা রয়েছে। এবারের নির্বাচনে ২ হাজার ৫০০ পোস্টাল ভোটারসহ মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৮ জন।
মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে বিএনপির বিদ্রোহী (বহিষ্কৃত) প্রার্থী ও সাবেক মেয়র মহসিন মিয়া মধু স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করে প্রত্যাশিত ফল পাননি।
দুই উপজেলায় মোট ভোট পড়েছে (বাতিলসহ) ২ লাখ ৭২ হাজার ২৯৪টি। গড় ভোটের হার ছিল প্রায় ৫৫ শতাংশ।

কেন বিজয় পেলেন বিএনপি প্রার্থী?
ভোটারদের একাংশ জানান, প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের শক্তিশালী উপস্থিতি এবং ঘোষিত নাগরিক সুবিধাসংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি—বিশেষ করে কৃষি সহায়তা ও ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রচার—এই বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণ ভেঙে এ ফলাফল মৌলভীবাজার-৪ আসনের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতার সূচনা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।