মিয়ানমারে সম্প্রতি যে ব্যাপক শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে, তাতে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। সংস্থাটি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, “যে মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে, তাতে আমরা ধারণা করছি যে মিয়ানমারের বিস্তৃত অংশ জুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং এক হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।”
আজ শুক্রবার (২৮ মার্চ ২০২৫) দুপুরে মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় শহর সাগাইংয়ের ১৬ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল (এপিসেন্টার)। ইউএসজিএস জানিয়েছে, মিয়ানমারে ৭.৭ এবং ৬.৪ মাত্রার দু’টি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
ভূমিকম্পের পর মিয়ানমারের হালনাগাদ অবস্থা সম্পর্কে এখনও বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি; তবে থাইল্যান্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিভিন্ন চিত্র, ভিডিও এবং তথ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে, এবং এসব থেকে বোঝা যাচ্ছে যে ভূমিকম্পটি বেশ বিধ্বংসী ছিল।
মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন সামরিক সরকার ইতোমধ্যে রাজধানী নেইপিদো সহ ৬টি শহর ও অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এই অঞ্চলগুলো হলো সাগাইং, মান্দালয়, ম্যাগওয়ে, বাগো, পূর্ব শান, এবং রাজধানী নেইপিদো।
মিয়ানমারে শক্তিশালী ভূমিকম্প: বহু প্রাণহানি, ঐতিহাসিক আভা সেতু ধসে পড়েছে
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতান সিনাওয়াত্রাও রাজধানী ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।