মৌলভীবাজার ১১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক কৃষিমন্ত্রীকে আদালতে জনতার ধিক্কার

ছবি : সংগৃহীত

সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদকে গতকাল মৌলভীবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের যুবদলের সদস্য সচিব মো. আব্দুল আহাদের দায়ের করা হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়।

সকাল ১০টায় প্রিজনভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আব্দুস শহীদকে মৌলভীবাজার জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। তাকে প্রথমে হাজতখানায় রাখা হয় এবং পরে সকাল ১১টায় বিচারক মিছবাহ উল হকের আদালতে উপস্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ তার পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষ বয়স ও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে জামিনের আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর করা হয়।

আদালত চত্বর ও কারাগার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। শুনানি শেষে আব্দুস শহীদ আদালত থেকে বের হওয়ার সময় উপস্থিত জনতা তাকে দেখে “চোর”, “ডাকাত”, “ভুয়া” বলে স্লোগান দেয় এবং ধিক্কার জানায়।

সাবেক কৃষিমন্ত্রীকে আদালতে জনতার ধিক্কার

আপডেট সময় ০৭:১৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদকে গতকাল মৌলভীবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের যুবদলের সদস্য সচিব মো. আব্দুল আহাদের দায়ের করা হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়।

সকাল ১০টায় প্রিজনভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আব্দুস শহীদকে মৌলভীবাজার জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। তাকে প্রথমে হাজতখানায় রাখা হয় এবং পরে সকাল ১১টায় বিচারক মিছবাহ উল হকের আদালতে উপস্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ তার পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষ বয়স ও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে জামিনের আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর করা হয়।

আদালত চত্বর ও কারাগার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। শুনানি শেষে আব্দুস শহীদ আদালত থেকে বের হওয়ার সময় উপস্থিত জনতা তাকে দেখে “চোর”, “ডাকাত”, “ভুয়া” বলে স্লোগান দেয় এবং ধিক্কার জানায়।