ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মুমূর্ষু ব্যক্তির জন্য রাসুল (দ.) যে দোয়া করেছেন

আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিত কারো মৃত্যুতে মানুষ জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করে। এমন বেদনাদায়ক মুহূর্তে ধৈর্য ধারণ করা মুমিনের কর্তব্য। রাসুল (দ.) ওই সময় উচ্চৈস্বরে কান্নাকাটি ও অহেতুক কথাবার্তা বলতে নিষেধ করেছেন।

সদ্য মারা যাওয়া ব্যক্তির জন্য তিনি নিম্নের দোয়াটি পড়তে বলেছেন।  দোয়াটি হলো-

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِفُلاَنٍ (بِاسْمِهِ) وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِينَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ، وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগফির লি ফুলানিন (মৃতের নাম বলবে) ওয়ারফা দারাজাতাহু ফিল মাহদিয়্যিন, ওয়াখলুফহু ফি আকিবিহি ফিল গাবিরিন, ওয়াগফির লানা ওয়ালাহু ইয়া রব্বাল আলামিন। ওয়াফসাহ লাহু ফি কবরিহি ওয়া নাউইর লাহু ফিহি।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ, তুমি আবু সালামাহকে ক্ষমা করে দাও এবং তাকে হেদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে উঁচু মর্যাদা দান করুন। তার উত্তরসূরীদের জন্য আপনি তাদের অভিভাবক হন। হে উভয় জগতের প্রতিপালক, আপনি তাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করুন, তার কবরকে প্রশস্ত করুন এবং তার জন্য তা আলোকিত করুন। ’

হাদিস : উমুম্মুল মুমিনিন উম্মে সালামাহ (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুল (সা.) (মারা যাওয়ার পর পর) আবু সালামাহ (রা.)-কে দেখতে আসেন। তখনো তার চোখ খোলা থাকায় তিনি তা বন্ধ করে দেন। অতঃপর তার (আবু সালামার) পরিবারের লোকজন চিৎকার করে কাঁন্না শুরু করে। তখন তিনি বললেন, ‘তোমরা নিজেদের জন্য কল্যাণ ছাড়া অনর্থক কিছু বলো না। কারণ তোমরা যা বলবে সঙ্গে সঙ্গে ফেরেশতারা আমিন (আল্লাহ কবুল করুন) বলবেন। ’ এরপর তিনি তার জন্য উল্লিখিত দোয়াটি পড়েন।

মুক্তবার্তা২৪.কম/ ২০২২/১২/১২ সউহে

x
বাংলা বাংলা English English

মুমূর্ষু ব্যক্তির জন্য রাসুল (দ.) যে দোয়া করেছেন

আপডেট সময় ০৫:৩০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২

আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিত কারো মৃত্যুতে মানুষ জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করে। এমন বেদনাদায়ক মুহূর্তে ধৈর্য ধারণ করা মুমিনের কর্তব্য। রাসুল (দ.) ওই সময় উচ্চৈস্বরে কান্নাকাটি ও অহেতুক কথাবার্তা বলতে নিষেধ করেছেন।

সদ্য মারা যাওয়া ব্যক্তির জন্য তিনি নিম্নের দোয়াটি পড়তে বলেছেন।  দোয়াটি হলো-

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِفُلاَنٍ (بِاسْمِهِ) وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِينَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ، وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগফির লি ফুলানিন (মৃতের নাম বলবে) ওয়ারফা দারাজাতাহু ফিল মাহদিয়্যিন, ওয়াখলুফহু ফি আকিবিহি ফিল গাবিরিন, ওয়াগফির লানা ওয়ালাহু ইয়া রব্বাল আলামিন। ওয়াফসাহ লাহু ফি কবরিহি ওয়া নাউইর লাহু ফিহি।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ, তুমি আবু সালামাহকে ক্ষমা করে দাও এবং তাকে হেদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে উঁচু মর্যাদা দান করুন। তার উত্তরসূরীদের জন্য আপনি তাদের অভিভাবক হন। হে উভয় জগতের প্রতিপালক, আপনি তাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করুন, তার কবরকে প্রশস্ত করুন এবং তার জন্য তা আলোকিত করুন। ’

হাদিস : উমুম্মুল মুমিনিন উম্মে সালামাহ (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুল (সা.) (মারা যাওয়ার পর পর) আবু সালামাহ (রা.)-কে দেখতে আসেন। তখনো তার চোখ খোলা থাকায় তিনি তা বন্ধ করে দেন। অতঃপর তার (আবু সালামার) পরিবারের লোকজন চিৎকার করে কাঁন্না শুরু করে। তখন তিনি বললেন, ‘তোমরা নিজেদের জন্য কল্যাণ ছাড়া অনর্থক কিছু বলো না। কারণ তোমরা যা বলবে সঙ্গে সঙ্গে ফেরেশতারা আমিন (আল্লাহ কবুল করুন) বলবেন। ’ এরপর তিনি তার জন্য উল্লিখিত দোয়াটি পড়েন।

মুক্তবার্তা২৪.কম/ ২০২২/১২/১২ সউহে