দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, মানুষের অধিকার এবং সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকা আজ ৫৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করছে। ১৯৭২ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে যাত্রা শুরু করা গণকণ্ঠ দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে গণমানুষের কথা বলেই চলেছে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দৈনিক গণকণ্ঠ শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল অবস্থান নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে পত্রিকাটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু-এর সম্পাদনা, প্রকাশনা ও মুদ্রণ তত্ত্বাবধানে দৈনিক গণকণ্ঠ পাঠকপ্রিয় একটি জাতীয় দৈনিক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে। সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে পত্রিকাটি স্বাধীন সাংবাদিকতা, মুক্তচিন্তা এবং জনস্বার্থ রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
গণকণ্ঠের সম্পাদকমণ্ডলী, সাংবাদিক, কলামিস্ট, আলোকচিত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দেশব্যাপী জেলা-উপজেলা প্রতিনিধিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পত্রিকাটি আজও পাঠকের আস্থা ও ভালোবাসা ধরে রেখেছে। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রিন্ট সংস্করণের পাশাপাশি ডিজিটাল ও মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্মেও গণকণ্ঠ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকার পক্ষ থেকে গণকণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা, প্রয়াত সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
গণকণ্ঠ পরিবার মনে করে, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। সেই আদর্শকে সামনে রেখে আগামীতেও গণমানুষের অধিকার, মুক্তচিন্তা ও সত্য প্রকাশে অটল থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে পত্রিকাটির কর্তৃপক্ষ।
দৈনিক গণকণ্ঠের ৫৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
গণমানুষের কণ্ঠস্বর-গণকণ্ঠ-আগামীর পথচলায় আরও দৃঢ়, আরও বলিষ্ঠ হোক।
সজিব উদ্দিন হেলাল 














