মৌলভীবাজার ১১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
Logo ভারতীয় ভিসা নিয়ে যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo মৌলভীবাজার জেলার ইতিহাস ও পূর্ব নাম Logo সুলতানি আমলে মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন ’সূরা মসজিদ’ Logo নিজ এলাকায় ফিরেই হাসপাতালে এমপি হাজী মুজিব; স্বাস্থ্যসেবায় পরিবর্তনের অঙ্গীকার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ৪ Logo রমজানে সেহরি-ইফতার ও তারাবিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু কবে, জানা যাবে সন্ধ্যায় Logo ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ Logo ৫৫ বছর পর মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়, বিশাল ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয়

‘আমি ছিলাম, আছি এবং থাকবো’ ঈদের পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াকিল উদ্দিন

পবিত্র ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি কথাটি যেমন চিরন্তন সত্য, তেমনই সত্য ছিন্নমূল, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে অনেক ক্ষেত্রেই আসে না ঈদের আনন্দ। কারো ঘরে থাকে না খাবার, কারো আবার থাকে না ঈদের আনন্দ করার মত নতুন জামা কাপড় কেনার সামর্থ্যও। এমনসব দরিদ্র-অসহায় মানুষের মলিন মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ঢাকা-১৭ আসনের মানবিক নেতা হিসেবে পরিচিত মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন ১৯৭১ সালে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য জীবনের মায়া ত্যাগ করে অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। আজও তিনি পরম মমতায় দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন। গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন এলাকার অসহায় মানুষের মুখে ঈদ উপহার বিতরণ করে মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে যাচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন। এছাড়া রাজধানীর অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ঈদ উপহার প্রদান করে অসহায় মানুষদের মলিন মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন তিনি।

গত ১৭ এপ্রিল রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের মিলনায়তনে শত শত দরিদ্র-অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন তিনি। এছাড়া গুলশান-বনানী থানা এলাকায়, ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদী আদর্শ বিদ্যানিকেতন, ভাসানটেক থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট ইউনিয়ন কচুক্ষেত, ধামালকোর্ট লালাসরাই, ভাসানটেক স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন জনমানুষের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন। পবিত্র ঈদুল-ফিতরে এসব উপহার পেয়ে হাসি ফুটেছে অসহায় মানুষের মুখে। শত শত পরিবার যারা নতুন জামা কাপড় পড়ে সন্তান-সন্ততি নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারতো না, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিনের এই মহতি উদ্যোগের ফলে তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। এই উপহার পেয়ে অসহায় মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। দরিদ্র-অসহায় মানুষদের ভাষ্যমতে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন স্যার যদি আমাগো ঈদ উপহার না দিতো, তাহলে এবার আমাগোর মধ্যে ঈদের কোন আনন্দ থাকতো না। স্যারের এই উপহারের জন্য আমরা ছেলে-মেয়েদের সাথে নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারবো।

এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন বলেন, ‘ত্যাগের মধ্য দিয়ে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করার মাস হলো রমজান মাস। এই মাসে মুসলিম সম্প্রদায় সিয়াম সাধনার মাধ্যমে ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে সঠিক পথে ফিরে আসে। আর সেটার মাধ্যম হলো রোজা ও পবিত্র ঈদ। আমি সবসময়ই দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষের সেবা করি। অনেক অসহায় মানুষ আছে যারা ঈদের নতুন পোশাক কিনতে না পেরে ঈদ আনন্দ করতে পারে না। তাদের সাথেও আমি ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করি প্রতিবারই। এই পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঈদের আনন্দ আমি তাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছি মাত্র। আমি সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। আমার জন্য মানুষের মুখে হাসি ফুটলে সেটাই হবে আমার গর্বের বিষয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় ভিসা নিয়ে যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

‘আমি ছিলাম, আছি এবং থাকবো’ ঈদের পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াকিল উদ্দিন

আপডেট সময় ১০:৪৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

পবিত্র ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি কথাটি যেমন চিরন্তন সত্য, তেমনই সত্য ছিন্নমূল, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে অনেক ক্ষেত্রেই আসে না ঈদের আনন্দ। কারো ঘরে থাকে না খাবার, কারো আবার থাকে না ঈদের আনন্দ করার মত নতুন জামা কাপড় কেনার সামর্থ্যও। এমনসব দরিদ্র-অসহায় মানুষের মলিন মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ঢাকা-১৭ আসনের মানবিক নেতা হিসেবে পরিচিত মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন ১৯৭১ সালে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য জীবনের মায়া ত্যাগ করে অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। আজও তিনি পরম মমতায় দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন। গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন এলাকার অসহায় মানুষের মুখে ঈদ উপহার বিতরণ করে মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে যাচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন। এছাড়া রাজধানীর অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ঈদ উপহার প্রদান করে অসহায় মানুষদের মলিন মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন তিনি।

গত ১৭ এপ্রিল রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের মিলনায়তনে শত শত দরিদ্র-অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন তিনি। এছাড়া গুলশান-বনানী থানা এলাকায়, ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদী আদর্শ বিদ্যানিকেতন, ভাসানটেক থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট ইউনিয়ন কচুক্ষেত, ধামালকোর্ট লালাসরাই, ভাসানটেক স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন জনমানুষের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন। পবিত্র ঈদুল-ফিতরে এসব উপহার পেয়ে হাসি ফুটেছে অসহায় মানুষের মুখে। শত শত পরিবার যারা নতুন জামা কাপড় পড়ে সন্তান-সন্ততি নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারতো না, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিনের এই মহতি উদ্যোগের ফলে তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। এই উপহার পেয়ে অসহায় মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। দরিদ্র-অসহায় মানুষদের ভাষ্যমতে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন স্যার যদি আমাগো ঈদ উপহার না দিতো, তাহলে এবার আমাগোর মধ্যে ঈদের কোন আনন্দ থাকতো না। স্যারের এই উপহারের জন্য আমরা ছেলে-মেয়েদের সাথে নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারবো।

এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়াকিল উদ্দিন বলেন, ‘ত্যাগের মধ্য দিয়ে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করার মাস হলো রমজান মাস। এই মাসে মুসলিম সম্প্রদায় সিয়াম সাধনার মাধ্যমে ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে সঠিক পথে ফিরে আসে। আর সেটার মাধ্যম হলো রোজা ও পবিত্র ঈদ। আমি সবসময়ই দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষের সেবা করি। অনেক অসহায় মানুষ আছে যারা ঈদের নতুন পোশাক কিনতে না পেরে ঈদ আনন্দ করতে পারে না। তাদের সাথেও আমি ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করি প্রতিবারই। এই পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঈদের আনন্দ আমি তাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছি মাত্র। আমি সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। আমার জন্য মানুষের মুখে হাসি ফুটলে সেটাই হবে আমার গর্বের বিষয়।