আজ ৫ আগস্ট। ইতিহাসের পাতায় দিনটি লেখা হয়েছে দুই নামে — কারও কাছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’, আর জুলাই বিপ্লবীদের ভাষায় ‘৩৬ জুলাই’। দুই বছর আগে এই দিনেই দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়েছিল ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত অভ্যুত্থান। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, রিকশাচালক, সাংবাদিক — নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত সেই বিজয় আজ স্মরণ করছে গোটা দেশ।
দিবসটি উপলক্ষে সারাদেশে সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে; পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোও নানা কর্মসূচি পালন করছে।
যেভাবে ইতিহাস বদলে গিয়েছিল
সূত্রে জানা যায়, আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল একটি আদালতের আদেশ ঘিরে। ২০২৪ সালের ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা সরকারি পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করলে কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। পরবর্তীতে ১০ জুলাই আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করে কিছু পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা দেয়।
কিন্তু আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায় জুলাইয়ের মাঝামাঝি। ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। পরদিন ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তাঁর মৃত্যুতে ফুঁসে ওঠে পুরো দেশ, শুরু হয় সরকার পতনের আন্দোলন। দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা সেই তরুণের ছবি পরবর্তীতে হয়ে ওঠে গোটা অভ্যুত্থানের প্রতীক।
এরপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন তীব্র হয়। ১৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণের প্রথম ধাপ ২৮ জুলাই পর্যন্ত অব্যাহত ছিল; মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেওয়ার পর দেশে পূর্ণ ইন্টারনেট বিভ্রাট দেখা দেয়। কারফিউ, গণগ্রেপ্তার ও গুলিবর্ষণের মধ্যেও আন্দোলন থামেনি; বরং কোটা সংস্কারের দাবি রূপ নেয় এক দফায়। অবশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে এমন আন্দোলন ও তার পরিণতি বিরল। আন্দোলনকারীদের দৃঢ়তা শুধু প্রশাসনকে রুখে দেয়নি, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা সরকারকে উৎখাত করেছে — যা বিশ্ব গণমাধ্যম ও জাতিসংঘকেও বিস্মিত করেছিল।
ক্ষয়ক্ষতির হিসাব ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
গণঅভ্যুত্থানে প্রাণহানির সঠিক সংখ্যা নিয়ে এখনও আলোচনা রয়েছে। সরকারি গেজেট অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৪৩ এবং আহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৭০। অন্তর্বর্তী সরকার নিহতদের ‘জুলাই শহীদ’ ও আহতদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রথম দফায় ৮৩৪ জনের তালিকা প্রকাশ করে; পরে জুনে আরও ১০ জনের নাম যুক্ত হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ মনে করেন, প্রয়োজনে জাতিসংঘের তথ্য যাচাই করে হলেও সরকারের একটি নির্ভুল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা উচিত — এতে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও ইতিহাস সংরক্ষণে বিভ্রান্তি দূর হবে।
শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। শহীদ পরিবার এককালীন ৩০ লাখ টাকা ও মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছে; তিন ক্যাটাগরিতে আহতরা পাচ্ছেন ভাতা, চিকিৎসা ও চাকরিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।
বিচারপ্রক্রিয়াতেও অগ্রগতি হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণা করেছে। মামলায় পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জুলাই সনদ থেকে গণভোট
অভ্যুত্থানের রাজনৈতিক ফলাফল স্থায়ী রূপ পেয়েছে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায়। ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর ঘোষিত আদেশ অনুযায়ী ৮৪টি সংশোধনী সংবলিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার জুলাই সনদের পক্ষে মত দেন। এর আগে ২৪টি রাজনৈতিক দল সনদ বাস্তবায়নে স্বাক্ষর করেছিল, যদিও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে স্বাক্ষরকারী দলগুলোর মধ্যেই কিছু মতপার্থক্য ছিল। নির্বাচন কমিশন ২০২৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি গণভোটের ফলাফলের সরকারি গেজেট প্রকাশ করে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী
দিবসটি উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক বিজয়। এ বিজয়কে তিনি বীর ছাত্র-জনতার বিজয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এত ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে এবং দেশে আর কখনও স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের উত্থান হতে দেওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ; প্রতিটি শহীদ পরিবারের কাছে বাংলাদেশ ঋণী।
স্মৃতি জাদুঘরের দ্বার উন্মোচন
দিবসের অন্যতম প্রধান আয়োজন ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, উদ্বোধনের দিনটি বিশেষ অতিথি ও শহীদ পরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে; ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।জাদুঘরে গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র, ভিডিও, দলিল-দস্তাবেজ, শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থী, গবেষক ও ইতিহাস-আগ্রহীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি, গাইডেড ট্যুর এবং অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
দিনভর জাতীয় কর্মসূচি
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। বেলা ১১টায় বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠান হবে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। দেশের সব জেলায়ও একই ধরনের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশনের মিনিপোলে জুলাই আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার পাশাপাশি রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছে; বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও নানা আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার ব্যবস্থা রয়েছে এবং দিবসটি উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশের কথা রয়েছে।এদিন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘরগুলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখার নির্দেশনা রয়েছে। শিশুদের জন্য বিনোদনমূলক স্থানগুলোও বিনামূল্যে উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকছে প্রীতিভোজের আয়োজন।
রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ শীর্ষক কনসার্ট, যার আয়োজন করেছে মুনসুন কালচারাল অ্যালায়েন্স। কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবে পারসা, কুঁড়েঘর, আর্বোভাইরাস, এভয়েড রাফা, শিরোনামহীন, আর্ক (হাসান) ও আর্টসেল; একক সংগীত পরিবেশন করবেন সেজান ও আসিফ আকবর। প্রধান অতিথি থাকবেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন হুইপ নূর-ই-আলম ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সকালে রাজধানীর পল্টনে সমাবেশ করেছে; কেন্দ্রীয় আয়োজনের সঙ্গে সংগতি রেখে সারাদেশে সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগে বিকাল ৪টায় তোপখানা রোডের শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা হবে; ৭ আগস্ট বিকাল ৫টায় মুক্তি ভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে সিপিবির উদ্যোগে আরেকটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
স্মরণের পাশাপাশি প্রশ্নও
দুই বছর পূর্তির এই দিনে উদ্যাপনের পাশাপাশি সামনে এসেছে জবাবদিহির প্রশ্নও। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে বলেন, চারদিকে জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা হচ্ছে, যা অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থি। তিনি সবাইকে যার যার নৈতিক অবস্থান থেকে সাহসী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ ও কোটি জনতার লড়াইকে সার্থক করতে দেশকে সাম্প্রদায়িকতা, শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত করতে হবে। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জুলাই গণআন্দোলন অসমাপ্ত।
গেজেটভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে সংসদে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু গত ২৮ জুন সংসদে বলেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের তালিকা হলেও দীর্ঘ সময়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও আহতদের কোনো তালিকা নেই, যা বৈষম্য সৃষ্টি করছে। তিনি গত ১৭ বছরের আন্দোলনে নিহত ও আহতদেরও গেজেটভুক্ত করার আহ্বান জানান।
নিরাপত্তা
দিবসটি ঘিরে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে র্যাব। বাহিনীটি জানায়, অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মেট্রোরেল স্টেশন ও সাভারে বোমা উদ্ধার এবং ৫ আগস্টকে ঘিরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের তৎপরতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাড়তি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
শাহাব উদ্দিন আহমদ 














