ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের সেমি ও ফাইনালের জন্য নতুন বল উন্মুক্ত করেছে ফিফা

কাতার বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালের জন্য নতুন বল উন্মুক্ত করেছে ফিফা । নতুন এই বলের নাম দেয়া হয়েছে ‘আল হিলম’। এর আগে অফিসিয়াল ম্যাচে ব্যবহৃত বলের নাম ছিল ‘আল রিহলা’।

আরবি ভাষায় আল হিলম এর অর্থ হচ্ছে ‘দ্য ড্রিম’ বা স্বপ্ন। বলটির ডিজাইনে ব্যবহার করা হয়েছে এডিডাসের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি। যেটি ব্যবহৃত হয়েছে ‘আল রিহলা’ বা ‘দ্য জার্নি’ বা যাত্রা শুরু নামে ব্যবহৃত বলগুলো তৈরিতে। যা চলতি বিশ্বকাপে ম্যাচ কর্মকর্তাদের খুব দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য সরবরাহে কর্য্যকরি প্রমানিত হয়েছে।

খেলোয়াড়দের অবস্থানের তথ্য নির্ভুল ভাবে প্রেরনের পাশাপাশি এটি ভিডিও ম্যাচ কর্মকর্তাদেরও তাৎক্ষনিক তথ্য সরবরাহে ভুমিকা রেখেছে যার ফলে দর্শকরাও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে।

বলের মধ্যে আইডএমইউ সেন্সরের মাধ্যমে সংগ্রহ করা ডাটার সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করা হয়েছে যাতে সয়ংক্রিয়ভাবে অফসাইড শনাক্ত করা যায়। বিশেষ করে গুরুতর মুহুর্তে অফসাইডের নির্ভুল তথ্য মুহুর্তেই সরবরাহ করতে পারে এই প্রযুক্তি।

ফিফার ফুটবল টেকনোলজি এন্ড ইনোভেশন বিষয়ক পরিচালক জোহানেস হোলজমুলার বলেন,‘ বল প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্টান এডিডাস ভিডিও ম্যাচ কর্মকর্তাদের কাছে তথ্য পাঠানোর গুরুত্বপুর্ন পদ্ধতিও এতে সংযুক্ত করেছে।’

মুক্তবার্তা২৪.কম/ ২০২২/১২/১২ সউহে

Write Your Comment

শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধ পিতা নিহত, বড় ভাই গুরুতর আহত

বিশ্বকাপের সেমি ও ফাইনালের জন্য নতুন বল উন্মুক্ত করেছে ফিফা

আপডেট সময় ০৫:১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২

কাতার বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালের জন্য নতুন বল উন্মুক্ত করেছে ফিফা । নতুন এই বলের নাম দেয়া হয়েছে ‘আল হিলম’। এর আগে অফিসিয়াল ম্যাচে ব্যবহৃত বলের নাম ছিল ‘আল রিহলা’।

আরবি ভাষায় আল হিলম এর অর্থ হচ্ছে ‘দ্য ড্রিম’ বা স্বপ্ন। বলটির ডিজাইনে ব্যবহার করা হয়েছে এডিডাসের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি। যেটি ব্যবহৃত হয়েছে ‘আল রিহলা’ বা ‘দ্য জার্নি’ বা যাত্রা শুরু নামে ব্যবহৃত বলগুলো তৈরিতে। যা চলতি বিশ্বকাপে ম্যাচ কর্মকর্তাদের খুব দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য সরবরাহে কর্য্যকরি প্রমানিত হয়েছে।

খেলোয়াড়দের অবস্থানের তথ্য নির্ভুল ভাবে প্রেরনের পাশাপাশি এটি ভিডিও ম্যাচ কর্মকর্তাদেরও তাৎক্ষনিক তথ্য সরবরাহে ভুমিকা রেখেছে যার ফলে দর্শকরাও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে।

বলের মধ্যে আইডএমইউ সেন্সরের মাধ্যমে সংগ্রহ করা ডাটার সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করা হয়েছে যাতে সয়ংক্রিয়ভাবে অফসাইড শনাক্ত করা যায়। বিশেষ করে গুরুতর মুহুর্তে অফসাইডের নির্ভুল তথ্য মুহুর্তেই সরবরাহ করতে পারে এই প্রযুক্তি।

ফিফার ফুটবল টেকনোলজি এন্ড ইনোভেশন বিষয়ক পরিচালক জোহানেস হোলজমুলার বলেন,‘ বল প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্টান এডিডাস ভিডিও ম্যাচ কর্মকর্তাদের কাছে তথ্য পাঠানোর গুরুত্বপুর্ন পদ্ধতিও এতে সংযুক্ত করেছে।’

মুক্তবার্তা২৪.কম/ ২০২২/১২/১২ সউহে