ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logo অসুস্থ সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীকে দেখতে বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ‘বাজেটকে চানাচুরের সঙ্গে তুলনা যারা করে, তারা জনগণের বন্ধু নয়’—তারেক রহমান Logo শ্রীমঙ্গলে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনস্রোত, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo শ্রীমঙ্গলে মক্তবে যাওয়ার পথে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ১ Logo শ্রীমঙ্গলে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিতরণ করবেন তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড Logo দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, দেশে ফেরাতে শুরু হচ্ছে আইনি প্রক্রিয়া Logo শ্রীমঙ্গলে কৃষকদের মাঝে এবি ব্যাংকের কৃষিঋণ বিতরণ Logo শ্রীমঙ্গলে লেবু বাগানের কাঁটাতারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু Logo ১০ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস Logo মেহেরপুরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ: যুবকের মৃত্যুদণ্ড, ৩ লাখ টাকা জরিমানা

ধানের শীষে ভোট দিলে উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে: নাসের রহমান

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কনকপুর ইউনিয়নে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এম নাসের রহমান

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার-৩ (সদর–রাজনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এম নাসের রহমান বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিলে এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি ভোটের দিন নফল রোজা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি রাসুলুল্লাহ (সা.) নফল রোজা রাখতেন। সে অনুসরণে রোজা রাখলে সওয়াবও পাওয়া যাবে এবং ভোটের দিন সময় ব্যবস্থাপনাও সহজ হবে। রোজা রেখে নামাজ শেষে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে চলে যেতে হবে। ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করার কাজ এখন থেকেই জোরদার করতে হবে।

নাসের রহমান বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হবে বিকেল পাঁচটায়, এরপর গণনা শুরু হবে। সে সময় ইফতারের সময় চলে আসবে। তাই ভোটকেন্দ্র ছেড়ে কোথাও যাওয়া যাবে না। কেন্দ্রেই খেজুর দিয়ে ইফতার করে জামাতে নামাজ আদায় করতে হবে। ভোটের দিন সবাইকে জায়নামাজ ও চাদর সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। যেকোনো একজন ইমামতি করে নামাজ আদায় করবেন। কেন্দ্র ত্যাগ করলে বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির আশঙ্কা থাকে—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষ শক্তিশালী না দুর্বল—এটা দেখার বিষয় নয়। দীর্ঘ ১৮ বছর পর মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পেয়েছে, এই অধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই এমন চিন্তা করা যাবে না যে বিএনপি এমনিতেই জয়ী হয়ে যাবে। ভোটাররা কেন্দ্রে না গেলে বিজয় নিশ্চিত হবে না। ১২ ফেব্রুয়ারি যেন কারও কোনো অজুহাত না থাকে।

নাসের রহমান বলেন, যারা মনেপ্রাণে বিএনপি ও ধানের শীষকে ভালোবাসেন, তারা সবাই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন এবং ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত একসঙ্গে থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রথম ভোট ধানের শীষে পড়তে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনোভাবেই ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না।

তিনি আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বলেন, নৌকা প্রতীক এখন ইতিহাস হয়ে গেছে। এই প্রতীক আর নির্বাচনে নেই। তবে তাদের সমর্থকরা রয়েছেন। তাদের বোঝাতে হবে—এই প্রতীক আর ফিরবে না। যারা বুদ্ধিমান, তারা ধানের শীষ প্রতীকেই ভোট দেবেন।

স্থানীয় সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রাস্তাঘাট। দীর্ঘ ১৮ বছরে এই এলাকায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হলে বেহাল সড়কগুলোর সংস্কার ও কার্পেটিং করা হবে। পাশাপাশি কৃষক কার্ড, নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন এবং দুই ঈদে বোনাস দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৮ নম্বর কনকপুর ইউনিয়নের দামিয়া বাজারে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কনকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মো. আয়াছ আহমেদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ আহমেদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রসিকসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Write Your Comment

অসুস্থ সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীকে দেখতে বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ধানের শীষে ভোট দিলে উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে: নাসের রহমান

আপডেট সময় ০১:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার-৩ (সদর–রাজনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এম নাসের রহমান বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিলে এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি ভোটের দিন নফল রোজা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি রাসুলুল্লাহ (সা.) নফল রোজা রাখতেন। সে অনুসরণে রোজা রাখলে সওয়াবও পাওয়া যাবে এবং ভোটের দিন সময় ব্যবস্থাপনাও সহজ হবে। রোজা রেখে নামাজ শেষে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে চলে যেতে হবে। ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করার কাজ এখন থেকেই জোরদার করতে হবে।

নাসের রহমান বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হবে বিকেল পাঁচটায়, এরপর গণনা শুরু হবে। সে সময় ইফতারের সময় চলে আসবে। তাই ভোটকেন্দ্র ছেড়ে কোথাও যাওয়া যাবে না। কেন্দ্রেই খেজুর দিয়ে ইফতার করে জামাতে নামাজ আদায় করতে হবে। ভোটের দিন সবাইকে জায়নামাজ ও চাদর সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। যেকোনো একজন ইমামতি করে নামাজ আদায় করবেন। কেন্দ্র ত্যাগ করলে বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির আশঙ্কা থাকে—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষ শক্তিশালী না দুর্বল—এটা দেখার বিষয় নয়। দীর্ঘ ১৮ বছর পর মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পেয়েছে, এই অধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই এমন চিন্তা করা যাবে না যে বিএনপি এমনিতেই জয়ী হয়ে যাবে। ভোটাররা কেন্দ্রে না গেলে বিজয় নিশ্চিত হবে না। ১২ ফেব্রুয়ারি যেন কারও কোনো অজুহাত না থাকে।

নাসের রহমান বলেন, যারা মনেপ্রাণে বিএনপি ও ধানের শীষকে ভালোবাসেন, তারা সবাই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন এবং ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত একসঙ্গে থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রথম ভোট ধানের শীষে পড়তে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনোভাবেই ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না।

তিনি আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বলেন, নৌকা প্রতীক এখন ইতিহাস হয়ে গেছে। এই প্রতীক আর নির্বাচনে নেই। তবে তাদের সমর্থকরা রয়েছেন। তাদের বোঝাতে হবে—এই প্রতীক আর ফিরবে না। যারা বুদ্ধিমান, তারা ধানের শীষ প্রতীকেই ভোট দেবেন।

স্থানীয় সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রাস্তাঘাট। দীর্ঘ ১৮ বছরে এই এলাকায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হলে বেহাল সড়কগুলোর সংস্কার ও কার্পেটিং করা হবে। পাশাপাশি কৃষক কার্ড, নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন এবং দুই ঈদে বোনাস দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৮ নম্বর কনকপুর ইউনিয়নের দামিয়া বাজারে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কনকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মো. আয়াছ আহমেদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ আহমেদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রসিকসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।