শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:২১, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ১১:৫৭, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ |

সিরাজনগর দরবার শরীফের পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী জশনে জুলুস, সিরাজনগর দরবার থেকে শ্রীমঙ্গলে মিছিল
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী জশনে জুলুস, সিরাজনগর দরবার থেকে শ্রীমঙ্গলে মিছিল

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে সিরাজনগর দরবার শরীফ থেকে আয়োজিত বিরাট জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এই বছরও আন্জুমানে ছালেকিন বাংলাদেশ ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের উদ্যোগে এই জশনে জুলুস বের করা হয়।

এই জুলুসের নেতৃত্ব দেন হযরতুল আল্লামা ছাহেব কিবলা সিরাজনগরী, ছাহেবজাদা মুফতি শেখ শিব্বির আহমদের পরিচালনায় জশনে জুলুসটি সিরাজনগর দরবার থেকে শুরু হয়ে শ্রীমঙ্গল শহর প্রদক্ষিণ করে শ্রীমঙ্গল জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে মিলিত হয়।

জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন ছাহেব কিবলা সিরাজনগরী ও  আন্জুমানে ছালেকিন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মুফতি শেখ শিব্বির আহমদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তাঁরা নবীজীর (সাঃ) জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

মিলাদ শেষে হযরতুল আল্লামা ছাহেব কিবলা সিরাজনগরী মোনাজাত পরিচালনা করেন, যেখানে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয় এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। মোনাজাতে বিশ্বের মুসলমানের শান্তি  ও ঐক্যের জন্য ও দোয়া করেন ছাহেব কিবলা সিরাজনগরী।

শ্রীমঙ্গল মিছিল শেষে পুনরায় জুলুস আকারে সবাই মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন এবং সাইফুর রহমান অডিটরিয়ামে আরেকটি সমাবেশে মিলিত হন। সেখানে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তারা ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর তাৎপর্য ও গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

মিলাদুন্নবী (সাঃ) হলো নবীজীর জন্মদিন। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, নবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জন্ম না হলে এই বিশ্ব কায়েনাত সৃষ্টিই হতো না। আল্লাহ তাআলা নবীজীকে মানবজাতির জন্য আশীর্বাদস্বরূপ প্রেরণ করেন। তাঁর মাধ্যমে মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য এবং আল্লাহর বাণী প্রচার করার জন্য পৃথিবীতে পাঠানো হয়। তাই, এই দিনটি শুধু একটি জন্মদিন নয়, এটি মানবতার প্রতি নবীজীর অবদান ও শিক্ষা স্মরণ করার এক বিশেষ উপলক্ষ।

আজকের এই দিনটি শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি প্রিয় নবীজীর (সাঃ) জীবন ও শিক্ষা নিয়ে আমাদের মনে নতুন করে ভাবতে শেখায়। এই জুলুস ও মিলাদ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা নবীজীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করি এবং তাঁর পথনির্দেশনা অনুসরণের প্রতিজ্ঞা করি।

আপনার মন্তব্য লিখুন