ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logo শ্রীমঙ্গলে মক্তবে যাওয়ার পথে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ১ Logo শ্রীমঙ্গলে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিতরণ করবেন তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড Logo দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, দেশে ফেরাতে শুরু হচ্ছে আইনি প্রক্রিয়া Logo শ্রীমঙ্গলে কৃষকদের মাঝে এবি ব্যাংকের কৃষিঋণ বিতরণ Logo শ্রীমঙ্গলে লেবু বাগানের কাঁটাতারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু Logo ১০ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস Logo মেহেরপুরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ: যুবকের মৃত্যুদণ্ড, ৩ লাখ টাকা জরিমানা Logo ঈদ ও পর্যটকদের আগমন উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন Logo তেহরানে পাকিস্তান সেনাপ্রধান-ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক Logo মৌলভীবাজারে বাসার ছাদ থেকে পড়ে গৃহকর্মী হালিমার মৃত্যু

মৌলভীবাজারে কিশোর হত্যা মামলার আসামি বড় ভাই হানিফ গ্রেফতার

মৌলভীবাজারে ছোট ভাই হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার বড় ভাই হানিফ মিয়া

মৌলভীবাজারে ভাতিজাকে শাসন করা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি বড় ভাই হানিফ মিয়া (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা সদর কোতোয়ালী থানার সংরাইশ এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মার্চ বিকাল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ফাটাবিল এলাকায় একটি সেতুর ওপর পারিবারিক বিরোধের জেরে তামিম মিয়া (১৮) কে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। নিহত তামিম মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা শাহেদ আলীর ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত তামিম তার বড় ভাই হানিফ মিয়ার ছেলে সাইদুল (১০) কে শাসন করে একটি থাপ্পড় দিলে বিষয়টি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফ মিয়া ধারালো চাকু দিয়ে তামিমের গলার নিচে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর হানিফ মিয়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি সেতুর নিচে ফেলে দিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের বোন সাথী আক্তার (২৩) বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩০২ ধারায় রুজু করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অবশেষে কুমিল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হানিফ মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের সেতুর নিচ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু এবং ঘটনার সময় পরা পোশাকও উদ্ধার করা হয়েছে।

Write Your Comment

শ্রীমঙ্গলে মক্তবে যাওয়ার পথে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ১

মৌলভীবাজারে কিশোর হত্যা মামলার আসামি বড় ভাই হানিফ গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:৩১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজারে ভাতিজাকে শাসন করা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি বড় ভাই হানিফ মিয়া (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা সদর কোতোয়ালী থানার সংরাইশ এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মার্চ বিকাল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ফাটাবিল এলাকায় একটি সেতুর ওপর পারিবারিক বিরোধের জেরে তামিম মিয়া (১৮) কে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। নিহত তামিম মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা শাহেদ আলীর ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত তামিম তার বড় ভাই হানিফ মিয়ার ছেলে সাইদুল (১০) কে শাসন করে একটি থাপ্পড় দিলে বিষয়টি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফ মিয়া ধারালো চাকু দিয়ে তামিমের গলার নিচে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর হানিফ মিয়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি সেতুর নিচে ফেলে দিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের বোন সাথী আক্তার (২৩) বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩০২ ধারায় রুজু করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অবশেষে কুমিল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হানিফ মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের সেতুর নিচ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু এবং ঘটনার সময় পরা পোশাকও উদ্ধার করা হয়েছে।